Posts

চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম নিয়ে কিছু কথা যা আপনার জানা প্রয়োজন

Image
  শরীরের বাড়তি ওজনে ঝেড়ে ফেলতে কে না চায়। নিজে ফিট রাখতে কত কিছু না করে থাকে। তবে ওজন কমানো ক্ষেত্রে ম্যাজিকের মতো কাজ করে চিয়া সিড। চিয়া সিডে প্রচুর পরিমানে ফাইবার থাকায় দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে এবং খিদে কম পায়। সেই সঙ্গে এত ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকায় ত্বকের সমস্যা দূর করাসহ, হার্টের অসুখ, ক্যানসার এবং প্রদাহজনক রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক চিয়া বীজ খাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ কিছু নিয়ম- ১. শুরুতে একবারে বেশি খাওয়া যাবে না। প্রথমে অল্প পরিমাণ খেয়ে শরীরকে অভস্ত করতে হবে। প্রতিদিন এক গ্লাসে এক চা চামচ মতো চিয়া সিড খেতে পারেন। শরীর উচ্চ ফাইবারের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিলে ধীরে ধীরে পরিমাণ বৃদ্ধি করুন। ২. পানির সঙ্গে মিশানোর সঙ্গে সঙ্গে না খেয়ে কয়েক ঘণ্টা পর খেলে ভালো ফলাফল পাবেন। এতে হজম করতে সুবিধা হবে। ৩. চিয়া সিড খাওয়ার সময় প্রচুর পরিমানে পানি খেতে হবে। কারণ এটি শরীর থেকে তরল শোষণ করে ফেলে।

মেথি গুড়ার উপকারিতা মেয়েদের জন্য কি কি?

Image
মেথি ত্বক ও চুলের জন্য খুবই উপকারী। সামান্য মেথি খাবারের স্বাদ ও গন্ধ বদলে দেয়। যারা ডায়াবেটিস বা পরিপাক সম্পর্কিত সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য এই মেথি খুবই উপকারী।  এ ছাড়া খুশকি, ব্রণ ও ঋতুস্রাবের সময় পেটব্যথা কমাতে সাহায্য  করে মেথি। আসুন জেনে নিই মেথি খেলে যত উপকার- ১. মেথির মধ্যে দ্রবণীয় ফাইবার থাকে, যা কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। সকালে খালি পেটে মেথির দানা খেলে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ থাকে।   ২. মেথির দানা ক্যান্সারের মতো রোগের প্রকোপও কমায়। অম্বল ও কোষ্ঠকাঠিন্যের হাত থেকে রক্ষা করে।    ৩. নিয়মিত মেথি খেলে শরীর থেকে ছোপ ছোপ বিভিন্ন ধরনের কালো দাগ উঠে যায়।   ৪. একটি কাপড়ের মধ্যে মেথির দানা বেঁধে ফোঁড়া বা মাংসপেশিতে ব্যবহার করলে শরীরের ফোলা ভাব ও ব্যথাও কমে যায়।  ৫. নিয়মিত মেথি খেলে অতিরিক্ত ওজন কমায় এবং পেটে জমে থাকা অতিরিক্ত চর্বিও কমায়।  ৬. স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুলের জন্য মেথি ব্যবহার করতে পারেন। এতে করে আপনার চুল পড়া কমবে। মেথি কীভাবে খাবেন?  ১. এক গ্লাস গরম পানিতে এক চামচ গোটা মেথি ভিজিয়ে রাখুন ১০ মিনিট। স্বাদ বৃদ্ধির জন্য তাতে লেবুর রস ও মধ...

অশ্বগন্ধ্যা পাউডার খাওয়ার উপকারিতা কি কি?

Image
  অশ্বগন্ধা পাউডারের ২০-২৫ শক্তি সম্পর্কে জানুন !!  🔸ঘুম খুব ভাল হয়। 🔸ডায়াবেটিসের সমস্যা কমায় 🔸আমাদের হার্টকে স্বাস্থ্যকর করে তোলে অশ্বগন্ধা।   🔸মানসিক চাপকে কমিয়ে ফেলতে সাহায্য করে। 🔸মানব শরীরের খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় 🔸পেশির শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। 🔸ইরেকটাইল ডিসফাংশনের চিকিৎসায় কার্যকরী ভেষজ হিসেবে স্বীকৃত। 🔸 রক্তে টেস্টোস্টেরনের মাত্র বাড়ায় 🔸রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় 🔸যাদের শরীরে থাইরয়েড হরমোনের পরিমান কম থাকে তাদের এই সমস্যা দূর করে 🔸চোখের স্বাস্থ্য ভালো করতে অশ্বগন্ধা ব্যবহার করা হয় 🔸অশ্বগন্ধা ক্যান্সারের প্রতিরোধক হিসেবে কার্যকর ফলাফল দেয়। 🔸যাদের অ্যালজাইমারস রোগ আছে, তাদের ক্ষেত্রেও অবস্থার উন্নতিতে অশ্বগন্ধা কাজ করে। 🔸নানা ধরণের ইনফেকশন থেকে আমাদের বাঁচাতে সাহায্য করে 🔸অবসাদ ও মনের উদ্বেগ কমাতে উপযোগী।  🔸অকালে চুল পাকা আটকাতে খুবই উপকারী। 🔸অশ্বগন্ধা গাছের নির্যাস বার্ধ্যকের ছাপ পড়তে দেয় না। 🔸এটি মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে সক্ষম।

এলার্জি দূর করতে নিম পাতা গুড়ার ব্যাবহার

Image
  এলার্জি দূর করতে নিম পাতা এলার্জি বা এলার্জি চুলকানি দূর করার একমাত্র মহাষৌধ হল নিম পাতা। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন নিম পাতার মধ্যে এমন শক্তি দিয়েছেন যা এলার্জি চিরতরে দূর করে দিতে পারে। তাই যারা এলার্জির যন্ত্রণায় অস্থির কিংবা এলার্জি চুলকানি সহ্য করতে পারছেন না তারা সব বাদ দিয়ে নিম পাতার উপর নির্ভর করেন। এখন দেখে নিন এলার্জি দূর করতে কিভাবে নিম পাতা ব্যবহার করতে হয়। ব্যবহার পদ্ধতি:  বেশি করে নিম পাতা সংগ্রহ করুন। এর পরে এই পাতা রোদে শুকিয়ে ঝরঝরে করে ফেলুন। অতঃপর শিল পাটায় পিষে গুড়া করে বৈয়াম বা কৌটা ভর্তি করে রাখুন। ঐ বৈয়াম বা কৌটা    থেকে প্রতিদিনের জন্য ১ চা চামচ নিম পাতার গুঁড়া নিয়ে তিন ভাগ করে ১ ভাগ এক গ্লাস পানিতে ১ চা চামচ ইসুবগুলের ভুষি সঙ্গে আধাঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন। এরপর খাওয়ার আগে মিশ্রণটি ভালোভাবে চামচ দিয়ে নাড়ুন। প্রতিদিন এই মিশ্রণ তিনবার খাবেন। সকালে খালি পেটে ,  দুপুরে ভরা পেটে    এবং রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস করে তিনবার তিন গ্লাস এই নিম পাতা ও   ইসুবগুলের ভুষির মিশ্রন খাবেন। আর প্রতিবার মিশ্রণ তৈরি করার জন্য উপরের দেখানো...

হিমালয়ান পিনক সল্টের উপকারিতা কি কি?

Image
 Himalayan Pink Salt | হিমালয়ান পিংক সল্ট (প্রিমিয়াম কোয়ালিটি) যারা Dr. Jahangir kabir  স্যারের JK Lifestyle  জেকে লাইফ স্টাই ফলো করেন তারা পিংক সল্ট (লবন) টি আগে থেকেই চিনেন আর যারা জানেন না গুগল বা ইউটিউব থেকে জেনে নিতে পারেন। কারো কোন জানার থাকলে বলতে পারেন। মনে রাখবেন ভালো স্বাস্থ্যের চেয়ে সম্পদ মূল্যবান নয়। . যেসব বিস্ময়কর উপকারিতা রয়েছেঃ ১। সোডিয়ামের নিম্ন পরিমাণ। ০২। উচ্চ পরিমাণে খনিজ। ০৩। শরীরের তরলের ভারসাম্য রক্ষা করে। ০৪। শরীরকে বিষমুক্ত হতে সাহায্য করে। ০৫। পরিপাক নালীকে পরিষ্কার করে। ০৬। শরীরের pH  এর ভারসাম্য রক্ষা করে। ০৭। শ্বাসতন্ত্রের রোগ থেকে মুক্তি দেয়। ০৮। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। ০৯। সাইনাসের সমস্যা কমিয়ে দেয়। ১০। মাসল ক্র্যাম্প কমায়। ১১। শরীরে বিভিন্ন জয়েন্ট বা গাঁট-কে সুস্থ রাখে। ১২। হাড় শক্তিশালীকরণ। ১৩। ঘুম ভালো হয়। ১৪। হজমশক্তি বাড়ে। ১৫। যৌন ক্ষমতা বাড়ায়। ১৬। মুখের দুর্গন্ধ দূর করে। ১৭। বলিরেখা কমায়। ১৮। শরীরকে detoxify করে ফলে লোহিত রক্ত কনিকার পরিমান বাড়ে। ১৯। এনার্জিতে ভরপুর রাখে। ২০। কিডনি, লিভার ভালো থাকবে। ২১। ব্লাড সু...

চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা কি?

Image
দিনে দুই চা চামচ  চিয়া সিড  শরীরের শক্তি দেয় এবং কর্মক্ষমতা বাড়ায়। প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায়  চিয়া সিড  রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করে। মেটাবলিক সিস্টেমকে উন্নত করার মাধ্যমে এটি ওজন কমাতে সহায়তা করে। এটি রক্তে চিনির প্রবাহ স্বাভাবিক রাখে বলে ডায়বেটিসের ঝুঁকি কমে। বীজ জাতীয় যেকোনো খাবারই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি। চিয়া সিডকে বলা হয় সুপারফুড। এতে আছে প্রচুর ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড, কোয়েরসেটিন, কেম্পফেরল, ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড ও ক্যাফিক এসিড নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, ক্যালসিয়াম এবং দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় খাদ্য আঁশ। তবে, অনেকেই চিয়া সিডের পুষ্টিগুণ বা এটি খাওয়ার নিয়ম জানেন না। যে কারণে এই সুপারফুডকে নিজের খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করছেন না। বিআরবি হাসপাতাল লিমিটেডের ডায়েটেটিকস ডিপার্টমেন্টের প্রধান পুষ্টিবিদ  সৈয়দা শিরিনা স্মৃতি  বলেন, 'চিয়া সিড একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার৷ এতে আছে দুধের চেয়ে ৫ গুণ বেশি ক্যালসিয়াম, কমলার চেয়ে ৭ গুণ বেশি ভিটামিন সি, পালং শাকের চেয়ে ৩ গুণ বেশি আয়রন, কলার চেয়ে দ্বিগুণ পটাশিয়াম, মুরগি...